রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সাভার ও আশুলিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে বিদেশী বিয়ার ও ট্যাপেন্টাডল ও অস্ত্র সহ ৬জন আটক দুই শিক্ষার্থীকে বেঁধে মারধর, শিক্ষক আটক চলমান মহামারিই শেষ নয়, ভবিষ্যতের জন্যেও বিশ্বকে প্রস্তুত থাকতে হবে : ডব্লিওএইচও দেশের বিভিন্ন রুটে কমিউটার, মেইল, এক্সপ্রেস এবং লোকাল ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত দেশে করোনা সংক্রমণ কমেছে।। সরকার পরিবর্তন চাইলে বিএনপিকে নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।।কাদের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রতিশ্রুত চাঁদার পরিমাণ বাড়াতে হবে : প্রধানমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা আজ জিসিএ’র আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে র্র্যাবের মাদক বিরোধী অভিযানে ফেন্সিডিল সহ আটক ১

মহেশখালীতে ওসি প্রদীপসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ

  • সর্বশেষ আপডেট বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২০, ৩.০৬ পিএম
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার।। কক্সবাজারের মহেশখালীতে কথিত বন্দুকযুদ্ধে বহুল আলোচিত আবদুস সাত্তার নিহতের ঘটনায় থানার তৎকালীন ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে দায়ের করা ফৌজদারি দরখাস্ত খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। একইসাথে এই ঘটনায় চার বছর আগে অজ্ঞাতনামা আসামি দেখিয়ে পুলিশের দায়ের করা মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সিআইডিকে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে মহেশখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আব্বাস উদ্দীন এই আদেশ দেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. শহিদুল ইসলাম জানান, ২০১৭ সালে এক কথিত বন্দুকযুদ্ধে আবদুস সাত্তার নিহতের ঘটনায় ওসি প্রদীপ ও পুলিশের পাঁচ সদস্যসহ ২৯ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেন স্ত্রী হামিদা আক্তার। ২৯ আসামির মধ্যে প্রধান আসামি হিসেবে রয়েছে ফেরদৌস বাহিনীর প্রধান মো. ফেরদৌস। বুধবার মামলাটির শুনানি হয়। আজ মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। তবে একইসাথে এই ঘটনায় চার বছর আগে অজ্ঞাতনামা আসামি দেখিয়ে পুলিশের দায়ের করা মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সিআইডিকে। চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলাটি এএসপি মর্যাদার নীচে নয় এমন একজন সিআইডি কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্বে নির্দেশ দেন বিচারক।

আবেদনকারী হামিদা আক্তার জানান, গত ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টার দিকে ফেরদৌস বাহিনীর সহায়তায় হোয়ানকের লম্বাশিয়া এলাকায় তার স্বামী আবদুস সাত্তারকে হত্যা করা হয়। তখন এ ঘটনায় থানায় মামলা নেয়নি। অবশেষে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলেন তারা। রিট পিটিশন নং-৭৭৯৩/১৭ মূলে ট্রিট ফর এফেয়ার হিসেবে গণ্য করতে আদেশ দেন বিচারক। সেই আদেশের আলোকে তিনি একই বছরের ১৭ জুলাই কক্সবাজারের পুলিশ সুপারকে লিখিত দরখাস্ত দেন। কিন্তু পুলিশ আবেদন আমলে নেয়নি বলে জানান হামিদা আক্তার।

আলোকিত কন্ঠ/রিফাত

আপনার মতামত দিন:

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
themebaalokitokant1852550985
©2019-20 All rights reserved Alokitokantho