শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন

১১ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর সাফল্য,খুশি পরিবার

  • সর্বশেষ আপডেট বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৯, ৮.০১ এএম
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

আলোকিত কন্ঠ ডেস্ক: এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় চমক দেখিয়েছেন পাবনার মানব কল্যাণ ট্রাস্টের ১১ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী। শ্রুতি লেখকের সহায়তায় তারা পাবনার সরকারি শহীদ বুলবুল কলেজ কেন্দ্র এবং শহীদ এম মনসুর আলী কলেজ কেন্দ্র থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের একজন হারুনার রশীদ পেয়েছেন জিপিএ-৫। এছাড়া অন্য ১০ জন জিপিএ-৪ এর উপরে পেয়েছে।

পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন এই ১১ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর জীবনে রয়েছে নানা গল্প। তবে তারা সবাই সাহসী। উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার ব্যাপারে পরিশ্রমী ও আশাবাদী তারা।

মানব কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল হোসেন বলেন, এসব দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর সবাই দরিদ্র ঘরের সন্তান। তাদের লেখাপড়ার জন্য প্রয়োজন ব্রেইল পদ্ধতি। অথচ দেশের অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ সুযোগ নেই। তাদের পরীক্ষার জন্য প্রয়োজন শ্রুতি লেখকের।

কিন্তু একেকজন শ্রুতিলেখককে সম্মানি দিতে হয় আট থেকে দশ হাজার টাকা। দরিদ্র এসব দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর লেখাপড়ার ন্যূনতম আর্থিক ব্যয় নির্বাহ করারও সক্ষমতা নেই।

শিক্ষা বোর্ড থেকে শ্রুতি লেখকদের অনুমোদন, রেজিস্ট্রেশন জটিলতা ও বিভিন্ন বোর্ডের ভিন্ন ভিন্ন নীতিমালার কারণে পদে পদে তাদের হয়রাণির শিকার হতে হয়। এরপরেও থেমে থাকছে না ওরা।

হারুনার রশিদ ছাড়া অন্য ১০ জনের ফল হলো- চাঁপাইনবাবগঞ্জের তরিকুল ইসলামের ছেলে আব্দুল মতিন তুষার ৪ দশমিক ৫০ পয়েন্ট, গাজীপুরের গোলজার হোসেনের ছেলে মো. মাহমুদুল হাসান শাওন ৪ দশমিক ২৫, নওগাঁর টিপু সুলতানের ছেলে মো. মাহবুব জামান ৪ দশমিক ২৫, সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. আরিফুল ইসলাম ৪ দশমিক ৫০, চাঁপাইনবাবগঞ্জের তৈয়মুর রহমানের ছেলে আব্দুর সবুর ৪ দশমিক ৫০, একই জেলার গোলাম মোস্তফার ছেলে আনোয়ারুল ইসলাম ৪ দশমিক ২৫, কিশোরগঞ্জের বাচ্চু মিয়ার ছেলে নাদিম হোসেন ৪ দশমিক ২৫, টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী গ্রামের শ্যামল চন্দ্র সুতারের ছেলে ভোলানাথ সুতার ৪ দশমিক ১৭, ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার সুশিল চন্দ্র ধরের ছেলে চন্দুন কুমার ধর ৪ দশমিক ১৫ এবং পাবনা সদর উপজেলার মহেন্দ্রপুর গ্রামের সিদ্দিক হোসেনের ছেলে কাওসার হোসেন ৪ দশমিক ৫৮ পয়েন্ট পেয়েছেন।

আপনার মতামত দিন:

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
themebaalokitokant1852550985
©2019-20 All rights reserved Alokitokantho