শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সাভার ও আশুলিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে বিদেশী বিয়ার ও ট্যাপেন্টাডল ও অস্ত্র সহ ৬জন আটক দুই শিক্ষার্থীকে বেঁধে মারধর, শিক্ষক আটক চলমান মহামারিই শেষ নয়, ভবিষ্যতের জন্যেও বিশ্বকে প্রস্তুত থাকতে হবে : ডব্লিওএইচও দেশের বিভিন্ন রুটে কমিউটার, মেইল, এক্সপ্রেস এবং লোকাল ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত দেশে করোনা সংক্রমণ কমেছে।। সরকার পরিবর্তন চাইলে বিএনপিকে নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।।কাদের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রতিশ্রুত চাঁদার পরিমাণ বাড়াতে হবে : প্রধানমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা আজ জিসিএ’র আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে র্র্যাবের মাদক বিরোধী অভিযানে ফেন্সিডিল সহ আটক ১

শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কুরবানির পশুর হাট

  • সর্বশেষ আপডেট শনিবার, ১০ আগস্ট, ২০১৯, ১১.০৬ এএম
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

আলোকিত কন্ঠ ডেস্কঃ আগামী ১২ আগস্ট সোমবার পবিত্র ঈদুল আজহা। শেষ মুহূর্তে পশু কেনাকাটায় ব্যস্ত ক্রেতারা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জেলা-উপজেলার পশুর হাটে পশু বেচাকেনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। বাজারে বিদেশি গরুর চেয়ে দেশি গরুর কদর বেশি। আর বাজারগুলোতে পর্যাপ্ত পশু থাকায় দামটাও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।

সারাদেশেও জমে উঠেছে কোরবানীর হাটগুলো। বরগুনায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে বরগুনার আমতলী উপজেলার পশুর হাটগুলো। বাজারগুলোতে পর্যাপ্ত পশু থাকায় দামও সহনীয় পর্যায়ে আছে বলে জানান ক্রেতারা।বাজারগুলোতে পর্যাপ্ত পশু থাকায় দামটাও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে বলে একাধিক ক্রেতা জানান। ক্রেতাদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে বাজার কর্তৃপক্ষ মাইকিং করে নির্দিষ্ট হাটের দিনের বাইরে পশুর হাট বসানোর ঘোষণা দিয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর আমতলী উপজেলায় কুরবানির জন্য ১ হাজার ৬৪২টি গরু, ৮৪টি মহিষ, ৩ হাজার ৪৭০টি ছাগল ও ১০টি ভেড়ার চাহিদা রয়েছে। চাহিদার তুলনায় ৩২৬টি পশু বেশি রয়েছে।

উপজেলার যে কয়টি বড় পশুর হাট রয়েছে তার মধ্যে আমতলী, চুনাখালী, গাজীপুর বন্দর ঘুরে দেখা গেছে, দেশি গরুতে বাজার সয়লাব। বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি ও বিক্রিও ভালো। তবে ক্রেতাদের কাছে মাঝারি গরুর চাহিদা একটু বেশি। তবে ১টি বড় সাইজের দেড়শ থেকে ২শ কেজি ওজনের গরুর চেয়ে ১শ কেজি ওজনের গরুর দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে।

ক্রেতা কামাল আকন আমতলীর পশুর হাট থেকে প্রায় ২শ কেজি ওজনের একটি গরু ৯১ হাজার টাকায় ক্রয় করেছেন।

ক্রেতা নুহুউল আলম নবীন একই হাট থেকে প্রায় ৭০ কেজি ওজনের একটি দেশি গরু কিনেছেন ৪৭ হাজার টাকায়। গাজীপুর বন্দর পশু হাটের ক্রেতা জসিম উদ্দিন মৃধা বলেন, চাহিদার তুলনায় বাজারে প্রচুর দেশি গরু উঠেছে। ক্রেতাদের কাছে মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা বেশি।

চুনাখালী বাজারের গরু ব্যবসায়ী মজিবর রহমান বলেন, কুরবানি ঈদকে সামনে রেখে বিভিন্ন বাজার থেকে ছোট-বড় সাইজের ১০টি গরু ৮ লাখ ২২ হাজার টাকায় ক্রয় করেছি। এ পর্যন্ত ৭টি গরু ৬ লাখ ৮৭ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। ৩টি বড় সাইজের গরু এখনো বিক্রি করতে পারিনি। বাজারে বড় সাইজের গরুর দাম একটু কম মনে হচ্ছে।

এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অনেক ছোট ছোট পশুর হাট রয়েছে। এগুলোর মধ্যে চলাভাঙ্গা, বান্দ্রা, তালুকদার বাজার, আমড়াগাছিয়া, গোজখালী, কলাগাছিয়া, গুলিশাখালী পশুর হাটে গরু, ছাগল ও ভেড়া বিক্রি হচ্ছে। এসব পশুর হাটে দাম সহনীয় পর্যায়ে আছে বলে ক্রেতারা জানান।

আমতলী পশু হাটের ইজারাদার ও আমতলী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোতাহার উদ্দিন মৃধা বলেন, আমতলী উপজেলায় যে পরিমাণ গরু বাজারে বিক্রির জন্য উঠেছে তাতেই এ উপজেলার চাহিদা পূরণ হয়ে যাবে। বাজারে মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা বেশি ও পশুর দামও সহনীয় পর্যায়ে আছে।

আমতলী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আতিকুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, চাহিদার তুলনায় কুরবানির পশু বেশি আছে। কৃত্রিমভাবে পশু মোটা তাজাকরণ ও রোগাক্রান্ত পশু বাজারে বিক্রি করতে না পারে সে জন্য মেডিকেল টিম রয়েছে।

আমতলী থানার ওসি মো. আবুল বাশার বলেন, কুরবানিকে সামনে রেখে পশুর বাজারের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। যাতে মানুষ পশু ক্রয় বিক্রি করে নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে। সাদা পোশাকে পুলিশ জালটাকা শনাক্তকরণ ও মেশিনে কাজ করা হচ্ছে।

বগুড়ার সুলতানগঞ্জ হাটে গিয়ে দেখা গেছে, গরুর আমদানি ছিল প্রচুর। কিন্তু দাম বেশি হাঁকায় বেচাকেনা তেমন হয়নি বলে হাটের ইজারাদার জানান। এই হাটে গরু বিক্রেতা গাবতলীর গোলাবাড়ী এলাকার আজিজার মিয়ার সঙ্গে কথা হয়।

তিনি জানান, ৪টি বড় সাইজের গরু গত ৬ মাস ধরে পালন করেছেন। গরুপ্রতি প্রতিদিন খাদ্য বাবদ খরচ হয়েছে ২০০ টাকা। সে হিসেবে গত ৬ মাসে বিপুল পরিমাণ টাকা গরুর খাবারের পেছনে ব্যয় হয়েছে। তিনি প্রতিটি গরু দেড় লাখ থেকে পৌনে দুই লাখ টাকা দাম হাঁকেন। কিন্তু ক্রেতারা এক লাখ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম বলায় তিনি গরু ফেরত নিয়ে যান।

বগুড়া শহরের আবুল কালাম আজাদ নামের এক ওষুধ ব্যবসায়ী কুরবানির গরু কেনার জন্য সুলতানগঞ্জ হাটে আসেন। তিনি পছন্দের গরু ৮০-৯০ হাজার টাকার মধ্যে কিনতে চান। কিন্তু সেসব গরুর দাম হাঁকা হচ্ছে দ্বিগুণ। ফলে তিনি গরু না কিনে ফিরে যান। ওই পশুর হাটে জামাল নামের এক গরুর বেপারির সঙ্গে কথা হয়। তিনি বিরাট আকারে দুটি গরু বিক্রির জন্য হাটে তোলেন। কালো রংয়ের একটি ষাঁড় যার দাম হাঁকেন ৬ লাখ টাকা। কিন্তু ক্রেতারা দাম বলেছেন সাড়ে তিন লাখ টাকা। তার সাদা রংয়ের আরেকটি ষাঁড় যার দাম হাঁকেন ৭ লাখ টাকা। ক্রেতারা ৪ লাখ টাকা দাম বলায় তিনি বিক্রি করেননি।

এদিকে জেলা পুলিশ জানায়, পশুর হাটগুলোতে থাকছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং জালনোট শনাক্তকরণ মেশিন।

উল্লেখ্য, বগুড়ার মহাস্থান হাট, কালীতলা হাট, সাবগ্রাম হাট, জয়বাংলা হাট, মহিষাবান হাটসহ বেশ কয়েকটি হাটে গিয়ে একই চিত্র দেখা যায়। তবে মাঝারি সাইজের গরু ৭০-৮০ হাজার টাকার মধ্যে বেশি বিক্রি করতে দেখা যায়।

কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে কুমিল্লার প্রকৃত খামারি, মৌসুমি খামারি ও গৃহস্থরা বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক পদ্ধতিতে মোটাতাজা করা গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া মিলে প্রায় আড়াই লক্ষাধিক গবাদি পশু এবারের হাটে তুলবেন। এ ছাড়া উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে মৌসুমি ব্যবসায়ী ও বেপারীদের আনা প্রায় এক লাখসহ সাড়ে তিন লাখ গরু জেলার স্থায়ী ও অস্থায়ী চার শতাধিক হাটে স্থান পাবে।

কুমিল্লার প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবারে হৃষ্টপুষ্টকরণ প্রক্রিয়ার আওতায় কুমিল্লার ১৭ উপজেলায় এক লাখ ৩৮ হাজার ৮৫৩টি ষাঁড়, ৬৬ হাজার ৮০৩টি বলদ, ২৪ হাজার ২৩৪টি গাভী, ৩৩৮টি মহিষসহ দুই লাখ ৩০ হাজার ২২৮টি গবাদিপশু কুরবানির জন্য বিক্রি করতে হাটে তোলা হবে। এ ছাড়া হাটে ছাগল, ভেড়া স্থান পাবে ২৭ হাজার ৩২১টি।

কুরবানিকে সামনে রেখে হৃষ্টপুষ্টকরণ প্রক্রিয়ায় এবারে গবাদিপশু লালনে এগিয়ে রয়েছে মনোহরগঞ্জ, মুরাদনগর, হোমনা, বরুড়া, নাঙ্গলকোট, দাউদকান্দি, চান্দিনা, চৌদ্দগ্রাম, দেবিদ্বার, সদর দক্ষিণ ও তিতাস উপজেলা।

কুমিল্লার সদর দক্ষিণের রাজাপাড়া এলাকায় গড়ে তোলা গরুর খামারি জাহিদ রিপন জানান, প্রচলিত, প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণের বিকল্প নেই।

কুমিল্লার প্রাণিসম্পদ অফিসের কর্মকর্তা ডা. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, কুমিল্লা অঞ্চলের হৃষ্টপুষ্ট আড়াই লাখের বেশি গবাদিপশু এবারে কুরবানির হাটে উঠবে। হাটগুলোতে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম সার্বক্ষণিক নিয়োজিত থাকবে।

ঈদুল আজাহাকে সামনে রেখে দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলার গরুর হাট জমে উঠেছে। তবে ক্রেতা সমাগম কম হওয়ায় কুরবানির গরু বেচাকেনা পুরোপুরি জমে উঠেনি। বাজারে বিদেশি গরুর চাইতে দেশি গরুর কদর বেশি থাকলেও ভারতীয় গরুও চোখে পড়ার মতো। দিনাজপুর সদর উপজেলার রেলবাজার হাট, গোপালগঞ্জ হাট, রানীগঞ্জ হাট, খসালডাঙ্গী হাট, পাচবাড়ী হাট, গোয়ালহাট, ফাসিলাডাঙ্গা হাট, কমলপুর হাট, খানপুর হাট ও সাহেবডাঙ্গাসহ বিভিন্ন উপজেলার হাট-বাজারগুলো ঘুরে দেখা যায়, খামারিরা কুরবানি ঈদে বিক্রির জন্য তাদের লালিত-পালিত গরু-মহিষ ও ছাগল ভেড়া হাট-বাজারে নিয়ে আসছেন।

কাহারোল উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের খামারি আব্দুল হালিম জানান, কুরবানি ঈদকে সামনে রেখে তিনি ২৫টি গরু বিক্রয়ের জন্য প্রস্তুত করেছেন। গরুগুলো আগামী শনিবার কাহারোল হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে আসবেন। তিনি আরো বলেন, ২৫টি গরুর আনুমানিক মূল্য ১৫ লাখ টাকা। ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করতে পারলে সব খরচ বাদ দিয়ে ৩ লক্ষাধিক টাকা লাভ হবে।

শহরের দপ্তরিপাড়ার গরু খামারি মো. তৈমুর আলী জানান, তার খামারে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ৯টি গরু রয়েছে। এর মধ্যে ২টি ষাঁড় গরু এই ঈদে বিক্রি করার জন্য প্রস্তুত করেছেন। তিনি জানান, গত তিন বছর লালন-পালন করে প্রতিটি গরুর ৭০/৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করার আশা পোষণ করেন। গরু ২টি ওই দামে বিক্রি হলে খরচ বাদে ৬০ হাজার টাকার উপরে লাভ হবে।

সরেজমিন কাহারোল উপজেলার কয়েকটি কুরবানির পশুর হাটে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ মিলে ১৪ হাজার ৮৩৮টি কুরবানির পশু প্রস্তুত করেছেন খামারিরা। যা ওই উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে এসব পশু দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানি করা সম্ভব হবে। প্রাণিসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এবার এই উপজেলায় ৭ হাজার ৪০৩টি পশু কুরবানির লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও প্রস্তুত হয়েছে ৭ হাজার ৪৩৫টি পশু। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর কুরবানি কিছুটা বেশি হবে বলে ধারণা তাদের। জানা যায়, উপজেলার কাহারোল হাট ও ১৩ মাইল গড়েয়া হাট, জয়নন্দ হাটে কুরবানির পশু বিক্রির ব্যবস্থা করেছেন উপজেলা প্রশাসন। উপজেলায় ছোট বড় মিলে গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়ার ৬৫টি খামার রয়েছে।

এতে ষাঁড় গরু রয়েছে ৬ হাজার ৬৭৪টি, বলদ গরু ৮৩০টি, গাভী রয়েছে ১৩২৯টি ও ছাগল ৫ হাজার ৮১৫টি, ভেড়া ১৯০টি। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. আব্দুস সালাম জানান, উপজেলায় ৩৪৫টি স্থানে এবার কুরবানি পশু জবাই করার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পূর্ব থেকেই কাহারোল হাট-বাজারটি সপ্তাহে প্রতি শনিবার সর্ববৃহৎ বাজার হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। ফলে সপ্তাহে প্রতি শনিবার এই হাটে প্রচুর পরিমাণে গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়া, হাঁস-মুরগিসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি হয়।

এটি জেলার সর্র্ববৃহৎ বাজার হওয়ায় এখানে ঢাকা, সিলেট, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, ভৈরব, নোয়াখালী, টাঙ্গাইল, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গরু ব্যবসায়ীরা এই হাটে আসেন। পশু ক্রয় করে ট্রাকযোগে তাদের গতব্যে নিয়ে যায় ব্যবসায়ীরা। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. আব্দুস সালাম জানান, প্রাণিসম্পদ বিভাগ কর্তৃক প্রতিটি হাট-বাজারের জন্য মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। মেডিকেল টিম গরু, ছাগল কোনো রোগে আক্রান্ত হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। এবং স্বাস্থ্যসম্মত গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ক্রয়ের জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধির পরামর্শ দিচ্ছেন।

আপনার মতামত দিন:

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
themebaalokitokant1852550985
©2019-20 All rights reserved Alokitokantho