মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৯:৪০ অপরাহ্ন

তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীরের নবম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

  • সর্বশেষ আপডেট বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২০, ৩.১৯ পিএম
  • ১৭১ বার পড়া হয়েছে

আলোকিত কন্ঠ ডেস্ক।। বরেণ্য নির্মাতা তারেক মাসুদ ও বিশিষ্ট সাংবাদিক মিশুক মুনীরের নবম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১১ ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন দেশের এ দুই কৃতিসন্তানসহ পাঁচজন। এরপর নিরাপদ সড়কের দাবিতে বহু আন্দোলন সংগ্রাম হলেও সড়কে শৃঙ্খলা আজও ফিরেনি।

২০১১ সালের ১৩ই আগস্ট ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জের জোকা এলাকায় তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনিরকে বহনকারী মাইক্রোবাসকে চাপ দেয় বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী একটি বাস। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তারেক মাসুদ ও মিশুক। আহত হন ক্যাথরিন মাসুদ, শিল্পী ঢালী আল-মামুন ও তার স্ত্রী দিলারা বেগম জলি এবং তারেক মাসুদের সহকারী মনীশ রফিক।
২০১৭ সালে এই মামলার রায়ে বাসচালক জামিল হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আদালত। গেলে দুই আগস্ট অসুস্থ হয়ে মারা যান তিনি।

তারেক-মুনিরকে বহনকারী মাইক্রোবাসটি এখন সড়ক দুর্ঘটনার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। নিরাপদ সড়কের দাবিতে বহু আন্দোলন সংগ্রাম হলেও এখনও প্রতিদিনই সড়কে ঝরছে প্রাণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইন প্রয়োগের অভাবেই সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো যাচ্ছে না।

বুয়েট এআরআই এর সহকারী অধ্যাপক কাজী সাইফুন নেওয়াজ বলেন, একটা দুর্ঘটনা ঘটার পরে তদন্তের মাধ্যমে অপরাধী ব্যক্তিকে যদি আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারি এবং আইনকে যদি আমরা যথাযথ ভাবে প্রয়োগ করতে পারি দেখা যাবে। দুর্ঘটনা কমে আসবে। আর যা ঠিক করতে হবে তা হলো রাস্তাকে সুন্দর হবে, সিস্টেমকে সুন্দর করতে হবে, যানবাহন গুলোকে ফিট করতে হবে, চালকদের মান উন্নয়ন করতে হবে। তাহলে আমরা এই দুর্ঘটনাগুলো এড়াতে পারব।

ত্রুটিমুক্ত সড়ক, প্রশিক্ষিত চালক আর পথচারীদের সচেতন করে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত সম্ভব বলে মনে করেন এই বিশেষজ্ঞ।

আপনার মতামত দিন:

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
themebaalokitokant1852550985
©2019-20 All rights reserved Alokitokantho